আপনজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি ফিরছেন অনেকে। শুক্রবার (৮ জুলাই) ছুটির দিন থাকায় তাই বাস কিংবা ট্রেনে বেড়েছে যাত্রীর চাপ। সকালে স্টেশন ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ট্রেন ছিল ঘরমুখী যাত্রীতে ঠাসা। ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের হাতলে ঝুলে বা ছাদে উঠে যাত্রা করেন অনেকে।
শুক্রবার (৮ জুলাই) সকালে রেলপথে এবারের ঈদযাত্রা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কমলাপুর স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদ সারওয়ার। ট্রেনে ঈদযাত্রার চতুর্থ দিনে বেলা ১১টা পর্যন্ত ১৬টি আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেন কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে গেছে বলে জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) পোশাক কারখানা, সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ছুটি হওয়ায় রেলপথে যাত্রী চাপ বেড়েছে বলে জানান তিনি।
কয়েকটি ট্রেন দেরিতে ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলো যথাসময়ে ছেড়ে যেতে পারছে। কিন্তু উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলো ঠিক সময়ে কমলাপুর ছেড়ে যেতে পারছে না। এর মধ্যে কোনোটা এক থেকে দুই ঘন্টা দেরিতে যাচ্ছে বলেন তিনি। তবে সুন্দরবন এক্সপ্রেস প্রায় তিন ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে গেছে।
এদিন সবচেয়ে বেশি দেরি করেছে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলো। ২ থেকে ৩ ঘন্টা দেরিতে ছেড়ে গেছে রাজশাহীগামী ধুমকেত এক্সপ্রেস, চিলাহাটির নীলসাগর ও খুলনার সুন্দরবন এক্সপ্রেস। এমন ভোগান্তি শেষে বাড়ি যেতে পারার খুশিতেও ছিলেন যাত্রীরা।
ভোগান্তিতে পিছিয়ে নেই বাসের যাত্রীরা। একদিক যাত্রী ও গাড়ির চাপ বেশি অন্যদিকে টার্মিনালের স্বল্পতা ও রাস্তা সরু হওয়ায় কয়েক কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানযটের সৃষ্টি বাস টার্মিনাল এলাকায়। সায়েদাবাদে দীর্ঘ লাইনে নির্ধারিত সময়ে গাড়ি ঢুকতে বা বের হতে না পারায় বিপাকে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।