রাজধানীর মীরপুরের কালশীতে বিহারি ক্যাম্পে আতশবাজি থেকে আগুন লাগেনি বরং দুর্বৃত্তরাই আগুন লাগিয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন গোয়েন্দারা। তবে আগুন লাগানোর পর বাইরে দরজায় তালা দেয়ার কোনো প্রমাণ তারা পাননি।
কালশী ঘটনায় ৬টি মামলার তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা ডিবির উপ পুলিম কমিশনার দেশ টিভিকে জানিয়েছে, ইতোমধ্যে দুর্বৃত্তদের চিহ্ণিত করে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে, রোববারও কালশীর বিহারি ক্যাম্পে ছিল থমথমে পরিস্থিতি।
বিহারি নেতাদের দাবি, মীরপুর পুলিশের বাড়াবাড়ির কারণেই হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।
গত ১৪ জুন শবে বরাতের রাতে মীরপুরের কালশীতে আতশবাজি পোড়ানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ-হামলা ও আগুন লাগিয়ে হতাহতের ঘটনায় নিহত হন মোট ১০ জন। এই ঘটনায় এখনো থমথমে অবস্থা সেখানে। বিহারি বাসিন্দারা ভুগছেন গ্রেপ্তার আতঙ্কে।
রোববারও তারা কালশী নতুন রাস্তায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।
এসপিজে আর সি প্রচার সম্পাদক খোরশেদ আলমের দাবি, ঘটনার দিন এতো হতাহতের ঘটনা ঘটতো না যদি পুলিশ অভিযানের নামে বাড়াবাড়ি না করত।
এদিকে, কালশীর ঘটনায় দায়ের করা ৬টি মামলার তদন্তের দায়িত্বই মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে দেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে প্রাথমিক তদন্তে আগুন লাগানোর প্রমাণ পেয়েছেন তারা। ভিডিও ফুটেজ দেখে দুর্বৃত্তদের শনাক্তও করা হয়েছে বলে জানান, ডিসি , ডিবি, ডিএমপি শেখ নাজমুল আলম
ঘটনার দিন অভিযানের সময় স্থানীয় পুলিশ বাড়াবাড়ি করেছিলো কি না বিভাগীয় তদন্ত কমিটি তা তদন্ত করে দেখছে বলে জানান তিনি।