নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচন ভোট কারচুপির নির্বাচন—উল্লেখ করে নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এ নির্বাচন জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়ার নির্বাচন হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনকে মেরুদণ্ডহীন—মন্তব্য করে তিনি বলেন, জালভোট দেয়া, কেন্দ্র দখল করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম করা হলেও নির্বাচন কমিশন যে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
মান্না বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ছিনতাই সব কিছু মিলিয়ে এটা গায়ের জোরে জেতার নির্বাচন হয়েছে। একজন এমপি (শামীম ওসমান) যেটা করলেন, তিনি সব জায়গায ভাইয়ের সভা-সমাবেশ করেছেন। এটা হতে পারে না। অডিও দেখার পর নির্বাচন কমিশন তাকে সুস্পষ্টভাবে থামাতে পারতো, বন্ধ করতে পারতো কিন্তু সেটা করেনি নির্বাচন কমিশন।’
এদিকে, এ নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু।
তিনি বলেন, এ বিজয় প্রমাণ করেছে দেশের জনগণ দ্বিদলীয় বৃত্তের বাইরে যেতে চায়।
জিয়াউদ্দিন বাবলু বলেন, ‘এ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে প্রমাণিত হয়েছে জাতীয় পার্টিকে মানুষ চাচ্ছেন এবং পরিবর্তন চাচ্ছে। সেই পরিবর্তন জাতীয় পার্টির শান্তির সপক্ষে পরিবর্তন। নারায়ণগঞ্জবাসী চাচ্ছে, এখানে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, হানাহানির বিরুদ্ধে, লুটপাটের বিরুদ্ধে ও রক্তপাতের বিরুদ্ধে শান্তির সপক্ষে জাতীয় পার্টিকে বেছে নিয়ে ভোট দিয়েছেন তারা। এটা তারই সাক্ষ্যবহন করে।’
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সেলিম ওসমান বিজয়ী হয়েছেন। ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম আকরাম।