ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তির মধ্যদিয়ে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নিরঙ্কুশ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে। নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের সমুদ্র মানচিত্র। আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদিত হলেই সমুদ্রসীমার গেজেট প্রকাশ পাবে। দেশ টিভিকে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম আ্যফেয়ার্স ইউনিটের প্রধান অতিরিক্তি সচিব খুরশেদ আলম।
তিনি জানান, জাতিসংঘের মহীসোপান সীমানির্ধারক কমিশনে করা আবেদন নিষ্পত্তিতে সময় লাগলেও সমুদ্রে সম্পদ আহরণে তা কোনো বাধা হবে না।
তিনি বলেন, তালপট্টি নিয়ে অহেতুক রাজনৈতিক বিতর্ক হচ্ছে, সরজমিন পরিদর্শনে ভারতের প্রতিনিধিরাও এ দ্বীপের অস্তিত্ব পাননি।
ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র সীমার বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বাংলাদেশ ১ লাখ ১৮ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের উপর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার অধিকার পেয়েছে বলে জানান খুরশেদ আলম।
তিনি আরো বলেন, তবে জাতিসংঘে মহীসোপান অঞ্চলের দাবি সম্বলিত অবস্থানপত্র ২০১১ সালে বাংলাদেশ জমা দেয়ায় এর সমাধানে কয়েক বছর সময় লাগবে। তবে তা গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের প্রক্রিয়া শুরু করতে কোনো বাধা হবে না।
এদিকে, তালপট্টিকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক বিতর্ক তোলা হয়েছে তার জবাবও দেন এই সমুদ্র আইন বিশেষজ্ঞ। তার দাবি ভারতীয় বিশেষজ্ঞরাও সরজমিনে এর কোনো অস্তিত্ব পাননি।