রাজউকের সঙ্গে ৫৮টি প্লট নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বিরোধ চলছে।
শহরের এ প্লটগুলো রাজউক নিজেদের দাবি করলেও সিটি করপোশনের দাবি এ প্লটগুলো তাদের।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নারায়ণগঞ্জের কয়েকশ কোটি টাকার সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করন সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।
মেয়র বলেন, ‘যারা রাজউক থেকে আসছে তারা কারো দ্বারা প্রলোভিত হয়ে নারায়ণগঞ্জে সিটি করপোরেশনকে হেয়-প্রতিপন্ন করার জন্য এ কাজ তারা করতে আসছে।’
নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার আয় বাড়ানোর জন্য ১৯৮২ সালে শহরের খানপুর ও চাষাঢ়া মৌজার ২৫ একর জমিসহ ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকার ৬টি মার্কেট পৌরসভার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশ বাস্তবায়ন না করে বরং ৪ একর জমি প্লট করে বিক্রি করে রাজউক। বাকি ২১ একর জমি বিক্রির জন্য ২০০৮ সালে দরপত্র আহ্বান করা হলে তার বিরুদ্ধে ঊচ্চ আদালতে মামলা করে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা। এতে দরপত্র প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সঙ্গে রাজউকের বিরোধ দেখা দেয়।
এদিকে, ৯ সেপ্টেম্বর রাজউকের ১৫ সদস্যের একটি দল জমিগুলোর কিছু অংশ পরিদর্শন করেন এস্টেট ওয়ান রাজউকের পরিচালক নাজমুস সাদত।
তাদের দাবি, নারায়ণগঞ্জে তাদের বহু জমি বেহাত হয়ে গেছে।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমরা ঢাকা থেকে রাজউকের প্রপার্টিগুলোর দেখাশোনা করতে পারিনি। আমাদের দুর্বলতার সুযোগে অনেকে বিভিন্নভাবে অবৈধ দখলে নিয়েছে এসব দেখার জন্যই মূলত আমরা এসেছি।’
বিরোধ নিরসনের জন্য ২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর একজন যুগ্ম সচিবকে আহ্বায়ক করে উভয়পক্ষের ৪ জনকে নিয়ে কমিটি করে দেয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। তবে ৯ সেপ্টেম্বর রাজউকের পরিদর্শন সম্পর্কে কিছুই জানে না এ কমিটি বলে জানা গেছে।