বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার ভারসাম্যহীনতার কারণেই জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখনই গ্রিডের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন না করতে পারলে সামনে আরও বড় বিপর্যয়ের আশংকা করছেন তারা।
তবে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক–ই- ইলাহী মনে করেন, বর্তমান সাত হাজার মেগাওয়াট বিতরণের বিপরীতে ১০ হাজার মেগাওয়াটের ওপরে সঞ্চালন সক্ষমতা রয়েছে।
ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
হঠাৎ করেই সারাদেশ বিদ্যুৎবিহীন। গত শনিবারের এমন বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে, জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, কতটা নিরাপদ দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান সঞ্চালন ব্যবস্থা সাড়ে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালনের ক্ষমতা রাখে। ২০০৭ সালের পর, বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়লেও সেভাবে বাড়েনি বিতরণের ক্ষমতা। যে কারণে হঠাৎ করেই বিপর্যয় পুরো সিস্টেমে।
প্রকৃত উৎপাদনের চেয়ে এখনো সঞ্চালন ক্ষমতা বেশি—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতি ঊচ্চ কারিগরি বিষয় হওয়ার কারণে এ রকম ঝুঁকি সব সময়ই থাকে।
আর উৎপাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন অব্যহত আছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ উৎঘাটনে গঠিত তদন্ত কমিটি এখনো তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়নি। মঙ্গলবার তারা ভেড়ামাড়া গ্রিড পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় তারা বলেন, বুধবারের মধ্যেই প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।