নাটোর মুক্ত দিবস আজ (রোববার), ১৯৭১ এর এ দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে শত্রুমুক্ত হয় নাটোর। তবে স্বাধীনতার ৪৩ বছরেও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গণকবরের সরকারি স্বীকৃতি মেলেনি, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়নি কোন স্মৃতিস্তম্ভও।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় নাটোরে ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ২ নম্বর সেক্টরের সামরিক হেড কোয়ার্টার। এখান থেকেই দেশের উত্তর ও দক্ষিনাঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনা করতো হানাদার বাহিনী।
হানাদাররা রাজাকারদের সহযোগিতায় নির্বিচার গণহত্যা চালায় নাটোরের ফুলবাগান, ছাতনী, দত্তপাড়া, মোহনপুর , বড়াইগ্রামের বনপাড়া ক্যাথলিক মিশনসহ বিভিন্ন জায়গায়।
৩০ মার্চ লালপুরের ময়নাগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রথম যুদ্ধ হয়। এরপর বড় কোনো লড়াই না হলেও ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের পরও মুক্ত হয়নি নাটোর।
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে ১৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এখানে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।
স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরও নাটোরের শহীদদের গণকবরগুলোর সরকারি স্বীকৃতি মেলেনি। তাদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়নি কোনো স্মৃতিস্তম্ভ।