আগামী ৫ জানুয়ারি সোমবার দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূর্তি। দিনটিকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করবে আওয়ামী লীগ। এ দিবসটি সফলভাবে উদযাপন করতে দলীয় কার্যালয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন নেতারা। নিজেদের মধ্যে বৈঠকের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতারা বসছেন সহযোগি সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও। এরই মধ্যে বেশকিছু কর্মসূচিও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘সকল সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে সকল নির্বাচনী এলাকায় এ দিবসটি পালন করা হবে।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘এ দিবসটি যথাযথ মর্যাদার সঙ্গের পালনের জন্য ইতিমধ্যে দেশের সকল জেলা উপজেলায় বলা হয়েছে। ওইদিন আনন্দ মিছিল বের করা হবে, র্যা লি, সমাবেশ হবে।’
৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে যাত্রা শুরু করেছিল ২০১৪ সালের রাজনৈতিক ঘটনাক্রম। আজ ৩১ ডিসেম্বর বছর শেষে নতুন বর্ষশুরুর দোড়গোড়ায় সেই ৫ জানুয়ারিকে ঘিরেই রাজনৈতিক উত্তাপ নতুন করে তেঁতে উঠছে।
সরকারে থাকা আওয়ামী লীগ এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপনে।
এদিকে, ৫ জানুয়ারিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে অভিহিত করে বিএনপি। রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে। আর সেজন্যই এদিন নিজেদের কর্মসূচি সফল করতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ। তবে নিজেদের কর্মসূচিকে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি মানতে নারাজ তারা। আবারো নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির আড়ালে সহিসংতা হলে ছাড় দেয়া হবে না।
নানক বলেন, ‘বিএনপিকে বলব মানুষকে আতঙ্কিত করবেন না। আমরা প্রস্তুত রয়েছি মানুষের বিপক্ষে যারা কাজ করছে আমরা তাদের কাউ কে ছাড় দেব না।’
এসব কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকবে দলের সহযোগী সংগঠনগুলোর।
এদিকে, ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র্যা লি, ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা হবে। আর এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বছরের শুরু থেকেই রাজনীতির মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছে আওয়ামী লীগ।