ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই—তবে তড়িঘড়ি করে নয় স্থানীয় সরকারের সমস্য দূর করার পরই ঢাকা সিটি করপোরেশন-ডিসিসি নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা।
তা না হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু এবং সুস্থ হবে না বলেও মন্তব্য তাদের। সকলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন হলে রাজনৈতিক বিরোধ নিষ্পত্তির চেয়ে বরং উল্টো হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা। আর সাধারণ মানুষও চাইছেন ডিসিসির নির্বাচন। তবে পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচন দেখতে চান না তারাও।
এক মাস আগে মন্ত্রিসভার মিটিংয়ে ডিসিসি নির্বাচনের ফাইলে সই করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়া সত্ত্বেও কয়েকদিন পরই আওয়ামী লীগ থেকে দু'জন প্রার্থীকে নিজেই মনোনয়ন দেন দলীয়নেত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই নানা জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আবারো নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন।
এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে—এ প্রস্তুতির কথাও জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।
আজ- বুধবার ইসি সচিবালয়ে বৈঠক করে সিইসি বলেন, আগামী মাসের ২৮ এপ্রিল ঢাকাসহ ৩ সিটিতে করপোরেশনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরামর্শও আসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে।
আট বছর পর ডিসিসির নির্বাচন করার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। তবে এ নির্বাচন নিয়ে তড়িঘড়ি কেন এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা।
ব্রতীর শারমিন মুরর্শিদ বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য আরো সময় এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত দরকার। তা না হলে স্থানীয় সরকার কাঠামোকে শক্তিশালী করা সম্ভব হবে না।
তারা বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ আনতে হলে সব দলের অংশগ্রহণ জরুরি।
বর্তমানে পরিস্থিতিতে নির্বাচন সম্ভব নয় উল্লেখ করে সুজনের নির্বাহী বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের জন্য আরো কিছু দিন সময় দরকার।
পরিত্যক্ত এ ঢাকা সিটির নিজস্ব অভিভাবক দেখতে চান ঢাকা নগরের বাসিন্দারা। তবে পাঁচ জানুয়ারি নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি নয়।