দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতামূলক সিটি করপোরেশনই যথাযথ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে। এজন্য নির্বাচিত হতে যাওয়া নতুন মেয়রদের সৎ থেকে কাজ করে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন নগর বিশেষজ্ঞরা। দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন তারা।
তারা বলেন, নাগরিক সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মেয়রদের ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের সক্রিয় রাখার পরামর্শও তাদের।
গুরুত্ব ও সৌন্দর্য্যের বিচারে সপ্তদশ শতকেও ঢাকা ছিল পৃথিবীর অন্যতম প্রধান দশটি শহরের একটি। বিভিন্ন জরিপ আর আন্তর্জাতিক সূচকে ঢাকা এখন বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরগুলোর অন্যতম। দিন দিন বাড়ছে শহরের পরিধি, বাড়ছে জনসংখ্যাও। কিন্তু নাগরিক সুবিধা বাড়েনি সেভাবে। নাগরিকদের সেবা বাড়াতেই নগরীকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এক যুগেরও বেশি সময় পর নির্বাচিত মেয়রদের প্রধান কাজই হবে সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিতামূলক করা- এক্ষেত্রে মেয়রের ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবীদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
জনসংখ্যার তুলনায় দুটি সিটি করপোরেশনেরই জনবল কম ও অবকাঠামো দুর্বল উল্লেখ করে ডা. সারওয়ার জাহান বলেন, নাগরিক সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে। সেইসঙ্গে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের দায়িত্বও বাড়াতে হবে।
বর্তমানে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সিটি করপোরেশনের সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
রাজধানীর ৫৬টি ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ ও ৩৭টি ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। মন্ত্রণালয়গুলোর ৫৪টি প্রতিষ্ঠান এই ৯৩টি ওয়ার্ডে নাগরিক সেবা দিয়ে থাকে।