বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মেয়েটিকে হত্যার উদ্দেশ্যেই নির্যাতন করা হয়েছে বলে ধারনা পুলিশের।
এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করলেও অভিযুক্ত মূল ব্যক্তি এখনও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে মেয়েটির পরিবারকে নানা হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। এ অবস্থায় বন্ধ হয়ে গেছে মেয়েটির পড়াশোনা।
স্বজনদের অভিযোগ, স্থানীয় আঠারো বাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের ভাই জসিমের বাড়িতে মেয়েটিকে দুদিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে ফারুক নামে এক যুবক। ধর্ষণ ও নির্যাতনের পর ২০ এপ্রিল রাতে চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষ রূপকের বাড়িতে মেয়েটিকে ফেলে রেখে যায় তারা।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জসীমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই রূপকের বাড়িতে মেয়েটিকে রেখে আসা হয়েছিল এমন অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেন চেয়ারম্যান।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফারুক ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।
ঈশ্বরগঞ্জের আঠারো বাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্ত শেষে মামলার অভিযোগপত্র দ্রুত দাখিল করা হবে।
প্রসঙ্গত: গত ১৮ এপ্রিল ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় একাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা।