সক্ষমতা বিবেচনায় না নিয়ে এডিপি বরাদ্দ নির্ধারণ করায় কোনো বছরই তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না বলে মনে করেন অর্থনীতিবীদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা মির্জা আজিজ। শুক্রবার দেশটিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এডিপি'র মাত্র ৫৬% বাস্তবায় হয়েছে— উল্লেখ করে তিনি বলেন, একই কারণে এডিপি'র নামে বিপুল পরিমান অর্থের অপচয়ও বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে এডিপি বাস্তবায়নে সরকারের সক্ষমতা আছে, দাবি করে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ.হ.ম. মুস্তফা কামাল বলেন, প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে অপচয় রোধে সরকার তৎপর।
প্রতিবছরই বাড়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপির আকার। কিন্তু থেকে যায় বাস্তবায়ন সমস্যা। চলতি অর্থ বছরের আর মাত্র ২ মাস হাতে থাকলেও এডিপি'র ৪৪% এখন বাস্তবায়ন বাকি।
বিগত কয়েক বছরের এডিপি বাস্তবায়ন ও মুল্যায়ন বিভাগের চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থবছরে বাস্তবায়িত হয়েছে মূল এডিপির ৮৫%। ২০১১-১২ অর্থবছরে তা আরও কমে নেমে আসে ৮৩%। এর মধ্যে ২০১২-১৩ হয়েছিল ৯১% ও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৮৬%। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এডিপির বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৫৬%। এ অবস্থার জন্য প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা সম্পর্কে সরকারে ধারণা না থাকাকেই দায়ি করছেন অর্থনীতিবীদরা।
তবে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, এডিপির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে বাস্তবায়নের গতিও।