দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসলেও কাটেনি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের মন্দা অবস্থা। চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে মাত্র ১১৩ কোটি ডলার। আর জিডিপির অনুপাতে সামগ্রিক বিনিয়োগ বেড়েছে মাত্র দশমিক ৪১ শতাংশ। বিনিয়োগের এ মন্দা অবস্থা কাটাতে আগামী বাজেটে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উপর বিশেষ জোর দেওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের।
বিগত কয়েক বছর হলো, দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ অনেকটাই থমকে আছে। অবকাঠামোগত দুর্বলতার পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় নতুন বিনিয়োগকারীরা অনেকটাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। যে কারণে ব্যাংকগুলোতে পড়ে আছে বিপুল পরিমাণ অলস অর্থ। দেশের সার্বিক অর্থনীতির স্বার্থে বিনিয়োগ বান্ধব বাজেটকে অগ্রাধিকার দেয়ার পরামর্শ ব্যবসায়ীদের।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ হয়েছিল ১০৭ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা সামান্য বেড়ে হয়েছে ১১৩ কোটি ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগ ছিল ২৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এবার তা হয়েছে ২৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। বিনিয়োগের এ মন্দা অবস্থা কাটাতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা সমন্ধে বাজেটে দিক নির্দেশনা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের।
আগামী ৪ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপান করবেন অর্থমমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বরাদ্দ রাখার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্দান্ত নেয়নি সরকার।