ফেডারেশনের ব্যক্তিদের দলীয় কোন্দল থেকে হকি'কে বাঁচাতে যেকোনো কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে—উল্লেখ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রি বিরেন শিকদার বলেন, তার আগে সমস্যা সমাধানের জন্য খেলোয়াড়, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও প্রয়োজনে সাবেক খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। দেশ টিভিকে দেয়া সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।
এবার সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্যেগ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নিজেই। তার মতে, ব্যক্তিগত ইগো থেকে বেরিয়ে আসতে হবে হকি'র সঙ্গে সংশ্লিস্ট সবাইকেই। সমস্যা সমাধানে ফেডারেশনের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে আলাদভাবে আলাদাভাবে বসবেন তিনি। তার আগে বসবেন খেলোয়াড়দের সঙ্গে বলেও জানান তিনি।
হকি'র মাঠ দেখলে যে কেউই ভাববে বাংলাদেশের হকি বেশ উন্নত। বসানো হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের টার্ফ, খুব শিগগিরই শুরু হবে ফ্লাড লাইটের কাজও। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন। টানা দুই মৌসুমে হয়নি একটি টুর্নামেন্টও, এমনকি লিগও নেই মাঠে। গেলো বছরের ৭ ডিসেম্বর এশিয়ান ফেডারেশন জুনিয়র কাপ হকির, বাছাই পর্বের খেলা হয়েছিলো ঢাকায়।
অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ, মালয়েশিয়ার কুয়ান্টাংয়ে আসরের মূল পর্বে খেলবে ১৪ নভেম্বর থেকে। কিন্তু শুরু হয়নি ক্যাম্প। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহর অধীনে, প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চায় না কোন ক্লাব, সঙ্গে যোগ হয়েছেন জাতীয় দলের অনেক খেলোয়াড়ও। এমন পরিস্থিতিতে মন্ত্রী পর্যায়ে দেন-দরবার হলেও, সমাধান হয়নি।
ব্যক্তিগত রেশারেশির কারণে, দীর্ঘ ৯ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে লিগ পর্যায়ের হকির সব খেলা। এবার সমস্যা সমাধানের চ্যালেঞ্জ নিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রি বিরেন শিকদার।