ভুলে ভরা জাতীয় পরিচয়পত্র। দীর্ঘ সময়েও সংশোধন করা যাচ্ছে না ভুলগুলো। তা সংশোধন করতে গিয়ে প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কমপক্ষে পাঁচ হাজার মানুষ।
ইসলামী ফাউণ্ডেশনে দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়েও হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে অনেককেই। নতুন নিয়মে ব্যাংকের মাধ্যমে সংশোধনী ফি জমা দেয়ার পরেও ফ্রি আবেদন ফরম কিনতে হচ্ছে দালালদের কাছ থেকে। অন্যদিকে এক থেকে চার বছর আগে ভোটার হয়েছেন কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র এখন পর্যন্ত হাতে পাননি এমন ভুক্তভোগির সংখ্যাও নেহাত কম নয়।
জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় নির্বাচন কমিশন ও তাদের নিয়োগকৃত কর্মকর্তাদের ভুলের মাসুল দিতে শাহবাগ থেকে এভাবেই ইসলামী ফাউন্ডেশনে ছুটে আসেন জামান মিয়া। সরকারি সেবাসহ বিভিন্ন কাজে পরিচয়পত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় নাম ভুল থাকার বিষয়টি বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তার।
কমিশনের এসব ভুলের খেসারত দিতে জামান মিয়ার মতো প্রতিদিন গড়ে অনন্ত পাঁচ হাজার মানুষ ভীড় করছেন ইসলামী ফাউণ্ডেশনে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে।
নির্বাচন কমিশনের মাঠপর্যায়ের অফিস থেকে এসব সংশোধনের নির্দেশ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের এ ব্যপারে রয়েছে অনীহা। ফলে বাধ্য হয়ে ঢাকামুখী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আর এ সুযোগে কাজ করে দেয়ার নামে একটি চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ করছেন কেউ কেউ।
এদিকে, স্মার্ট কার্ড দেয়া হবে এ মর্মে আটকে রাখা হয়েছে ২০১৪ সালে ভোটার হওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র পাবে এমন কার্ডধারীদের। ফলে ভোগান্তিতে পড়ছেন তারাও।
এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আইডিইএয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. মহসিন আলি।
দেশ টিভিকে তিনি জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার পর দ্রুততার সঙ্গে কাজ করা হয়।
গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে নিজ নিজ এলাকায় সংশোধন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।