আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে দাবি পূরণের আশ্বাস না পেলে সমাপনী পরীক্ষা বর্জন, প্রতীকী অনশনসহ কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। পদমর্যাদা, বেতন বৈষম্য দূরীকরণ, সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধসহ ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন করেন তারা।
তবে পরিস্থিতি উত্তরণে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শিক্ষকদের এসব দাবি বাস্তবায়নে সরকার সচেষ্ট।
শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো: প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য হ্রাস, অষ্টম বেতন কাঠামোতে সহকারি শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডে রাখা, সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রাখা এবং সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি, টাইমস্কেল এবং সিলেকশন গ্রেড পূর্নবহাল, শিক্ষকদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস বাস্তবায়ন, সহকারি শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো ঘোষণা, প্রাথমিক ডিপার্টমেন্টকে নন-ভ্যাকেশনাল ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা।
এসব দাবি পূরণ না হলে আগামী ১৫ অক্টোবরের পর পরীক্ষা বর্জনসহ বড় কর্মসূচীও ঘোষণা করেছেন তারা।
২০১৪ সালে শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা এবং স্কেল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে বছর পেরোলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকদের মধ্যে ৯৩ শতাংশের বিশাল বেতন বৈষম্যও রয়েছে। এ বৈষম্য কমানো এবং ঘোষণা বাস্তবায়নসহ বেশ কিছু দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।