মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর রেখেই 'বিশেষ পরিস্থিতির' ক্ষেত্রে তা ১৬ করার সরকারি সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন মানবাধিকার কর্মী ও নারী নেত্রী খুশী কবির এবং আইনজীবী এলিনা খান।
বাল্য বিবাহ রোধে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতেই এ ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাল্য বিবাহ আইনে এ ধারাটি যুক্ত হলে সুফলের চেয়ে অপব্যবহারের সম্ভবনাই বেশি বলে অভিমত তাদের।
সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিকতা নেই উল্লেখ করে মানবাধিকার কর্মী ও নারী নেত্রী খুশী কবির বলেন, বাল্যবিবাহ রোধে ব্যর্থতা ঢাকতেই এ ধরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
আর বাল্যবিবাহ আইনে এ ধরনের ধারা যুক্ত হলে তা মূল আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে বলে মনে করেন আরেক মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী এলিনা খান।
শুধু আইন করে নয় বাল্যবিবাহ রোধে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তারা।
মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং 'বিশেষ পরিস্থিতির' ক্ষেত্রে তা ১৬ বছর করার প্রস্তাব রেখে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৪ এর খসড়া তৈরি করে সম্প্রতি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।