মিটার অনুযায়ী যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নিতে চান সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকরা। তবে এর জন্য সরকার নির্ধারিত প্রতিদিনের জমা ৯০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে সিএনজি মালিকদের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা। আর মালিকরা সরকার নির্ধারিত জমার অতিরিক্ত নেবেন না বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে ভোগান্তি কমবে বলে আশা যাত্রীদের। তবে চালকরা মিটারে কারসাজির মাধ্যমে যেন বেশি ভাড়া আদায় করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ তাদের।
যাত্রী-চালকের দর কষাকষি, ভাড়া নিয়ে কখনো বনিবনা হচ্ছে, কখনো হচ্ছে না।
তবে নিয়ম অনুযায়ী এ দর কষাকষির কোনো সুযোগই থাকার কথা নয়। কারণ ভাড়া নির্ধারণ হওয়ার কথা সিএনজি অটোরিক্সায় বসানো মিটার অনুযায়ী। কিন্তু নিয়ম থাকলেও, তা কার্যকর হয়নি।
এ নিয়ম কার্যকর করতে, এবার কঠোর অবস্থানে কর্তৃপক্ষ। কড়া নির্দেশ ১ নভেম্বর থেকে মিটার অনুযায়ীই ভাড়া আদায় করতে হবে।
সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকরা বলেন, সরকারের নির্দেশ মত, মিটারের হিসেবে তারা ভাড়া নিতে প্রস্তুত। তবে মালিকরা যাতে, চালকদের কাছ থেকে প্রতিদিনের নির্ধারিত জমার চেয়ে বেশি আদায় না করতে পারে, সে বিষয়টি নিশ্চিতের দাবি তাদের।
আর মালিক পক্ষ বলছে, সরকার এবার যে হারে ভাড়া নির্ধারণ করেছে তাতে তাদের দাবি পূরণ হয়েছে। তাই, সিএনজিতে মিটার অনুযায়ী ভাড়া আদায়ে সরকারের নির্দেশনা তারা পুরোপুরি মেনে চলবেন।
তবে মালিকরা প্রাইভেটের নামে অবৈধভাবে যাত্রী পরিবহণকারী সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে নিয়মের মধ্যে না আনা গেলে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন কঠিন হবে বলে মনে করেন তারা।
এদিকে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ২ কিলোমিটারে সিএনজি অটোরিকশার ভাড়া ৪০ টাকা। আগে যা ছিল ২৫ টাকা। এর পরের প্রতি কিলোমিটারে আগের ৬ টাকার যায়গায়, ভাড়া হচ্ছে দ্বিগুণ। দ্বিগুণ হচ্ছে ওয়েটিং চার্জও।
মিটারের হিসেবে ভাড়া নিলে, ভোগান্তি কমবে, এমনটাই প্রত্যাশা যাত্রীদের। তবে, মিটারে কারসাজি নিয়ে তাদের আশংকা রয়েই গেছে।
অতীতে না হলেও, এবার সিএনজি মালিক-চালকরা যাত্রী ভোগান্তি কমাতে, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন, এনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।