বহুমুখী শিক্ষার সুযোগ ও নতুন নতুন কৃষি অনুষদ ও বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার সুযোগ থাকায় দিনাজপুরে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে- হাবিপ্রবি বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিনই বেড়েই চলেছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণে আগ্রহী হয়ে উঠছেন তারা।
এছাড়া শিক্ষার মনোরম পরিবেশ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠায় পড়াশুনা করতে পেরে খুশিও তারা।
বাংলাদেশের মতো নেপাল কৃষি নির্ভর দেশ হওয়ায় আমরা কৃষি নিয়ে পড়াশুনা করছি বলে জানান নেপাল থেকে আসা এক শিক্ষার্থী।
হাজী দানেশ একটি প্রথম শ্রেণির কৃষিভিত্তিক কলেজ। স্বল্প খরচে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা এবং নিরাপদ আবাসিক ব্যাবস্থা থাকায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা এখানে শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী।
বিদেশি শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, এখানকার শিক্ষা ব্যাবস্থা ও শিক্ষক শিক্ষার্থীরা সবাই খুব ভালো। লেখাপড়ার সুযোগ সুবিধা অনেক। এছাড়া আমরা নিজেদের মতো থাকতে পারি।
এছাড়া এখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় মুগ্ধ তারা।
বাইরের দেশ থেকে আসলেও এখানকার শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা খুবই আন্তরিক বলে জানান তারা্
তারা দেশ টিভিকে আরো বলেন, আমরা নিজেরাও অনেক সাবধানে থাকি। বাইরের দেশ থেকে আসলেও এখানকার ভিসি, প্রক্টর, সবাই আমাদেরকে খুব সহযোগিতা করেন। নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক সমস্যা থাকলেও আমরা ভালো আছি।
এদিকে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে বিদেশিদের বাড়তি নিরাপত্তার ব্যাপরেও এখানকার কর্তৃপক্ষ বেশ সতর্ক রয়েছে।
উপাচার্য হাবিপ্রবি অধ্যাপক মো. রহুল আমিন বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের যন কোনো প্রকার অসুবিধি না হয় তারজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করা আছে।
বিগত ১৯৮৮ সালে দিনাজপুরের বাশেরহাট নামক স্থানে হাজী মোহাম্মদ দানেশ কৃষি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে কলেজটি হাজী মোহাম্মদ দানেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নামে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে কৃষি অনুষদ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজনেস স্ট্র্যাডিজ, সোস্যাল সায়েন্স অ্যান্ড হিউমেনেটিসসহ ৭টি অনুষদ রয়েছে। এসব অনুষদে প্রতিবছর নতুন নতুন বিষয় যোগ হচ্ছে। পাশাপাশি এখানে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্ট্যাডিস অনুষদ থাকায় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে।
গত ২০০৫ সাল থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়। বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ে ৫০ জন বিদেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছেন। এছাড়া স্নোতকোত্তর পর্যায়েও বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে।