সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। গোয়েন্দা ব্যর্থতায় ভাবনায় নেতারা।
তারা মনে করছেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতেই গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে।
দেশ টিভিকে নেতারা জানান, জনগণকে আতঙ্কের মধ্যে ঠেলে দিতেই এমন চেষ্টা— তবে এ চেষ্টা সাময়িকভাবে সফল হলেও এটি যে ষড়যন্ত্রের অংশ তা দেশের মানুষ বুঝতে পারছেন।
এমন পরিস্থিতিতে দলের নেতাদের কথাবার্তায় আরো সংযত হওয়া উচিত বলেও মানছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
দুই বিদেশি নাগরিক, পুলিশ ও লেখক-ব্লগারদের হত্যা ও আশুরার মিছিলে হামলাসহ সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিশীল অবস্থায় উদ্বেগ-অস্বস্তি রয়েছে ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগে। পাশাপাশি এসব ঘটনা মোকাবেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ত্বরিৎ পদক্ষেপ গ্রহণ বা আগাম গোয়েন্দা ব্যবস্থার দুর্বলতাও দলের নেতাদের ভাবনায় ফেলেছে বলে জানান দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।
ক্ষমতাশীল দলের উদ্বিগ্নতা গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কপালে ভাঁজ ফেললেও আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সাম্প্রতিক সময়ে দেশে খুন-খারাবির ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।
সাময়িকভাবে এটি জনমনে আতঙ্ক ছড়ালেও সরকারের পদক্ষেপে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি খোলাসা হচ্ছে বলে মনে করেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও বাহাউদ্দীন নাসিম।
সার্বিক পরিস্থিতি মানুষের উপলব্ধিতে আনতে সরকারের পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার কথা বলেন নেতারা। আবার এসব ঘটনার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী ও নেতাদের কথাবার্তায় আরও সংযত হওয়ারও তাগিদ দেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও বাহাউদ্দীন নাসিম।
বিএনপি-জামাত জোটই আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে এমন সব ঘটনা ঘটাচ্ছে—এটাই বিশ্বাস করতে চায় ক্ষমতাসীন মহল। আর সব ঘটনাতেই একই গোষ্ঠীর হাত রয়েছে।
তাই এতে বিচলিত হতে চান না নেতারা জানান, এখানে আওয়ামী লীগের পিছু হটার সুযোগ নেই।