জানুয়ারির শেষ সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় সম্মেলন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। ৯ জানুয়ারি কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় এ বিষয়সহ পৌর-নির্বাচনে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দলটি।
তবে, বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে জনরায়কে সম্মান জানানোর পক্ষে মত দিয়েছেন কোনো কোনো নেতা।
গঠনতন্ত্র অনুসারে গত ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের কথা থাকলেও পৌর-নির্বাচনের কারণে জানুয়ারিতে সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। তবে এরইমধ্যে চলতিমাসের শেষ সপ্তাহে জাতীয় সম্মেলন করতে প্রায় সব জেলা সম্মেলন শেষ করেছে আওয়ামী লীগ।
নেতারা বলেন, রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী কার্যনির্বাহী পরিষধের সভায় জাতীয় সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করবে দলটি।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল আলম লেনিন ও সংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ৯ জানুয়ারি কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় যে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে তাই মেনে নেবে দলের সদস্যরা।
ওই সভায় দলের সিদ্ধান্তের বাইরে পৌর নির্বাচনে অংশ নেয়া আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ সঠিক হবে কিনা তা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানান দলের নেতারা।
লেনিন বলেন, ‘সভায় কার জন্য কেমন শাস্তির বিধান রাখা হবে, অপরাধের পরিমাপ করেই শাস্তি প্রয়োগ করা হবে।’
তবে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘গঠনতন্ত্রে রিভিউ বলে একটা বিষয় আছে। এটাকে রাজনৈতিকভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে।’
বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে যেসব বিদ্রোহী নেতা রয়েছেন, বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হলে তারা সেসব পদও হারাবেন।
এ বিষয়ে নাসিম আরো বলেন, ‘তাদেরকে পদ থেকে বহিস্কার করা হরে স্বাভাবিকভাবে তারা পদ থেকেও সরে যাবে।’
জাতীয় সম্মেলন শেষ হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগ নেতারা।