সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের অন্যতম শর্ত ছিল সরকার কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার বা সিইটিপি নির্মাণ করে দেবে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হলেও সিইটিপি নির্মাণ এখনো শেষ হয়নি।
প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় থেকে দাবি করা হচ্ছে সিইটিপির চারটি মডিউলের মধ্যে চলতি মাসেই দুটির টির কাজ শেষ হবে। বাকি দুটির ব্যাপারে অগ্রগতি সামান্যই।
বৃত্তের মত গোল করে দেয়াল নির্মাণের কাজ চলছে— এসব কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধানাগের মূল অংশ। এরপর বিভিন্ন জায়গায় বসানো হবে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাপতি।
বিভিন্ন ট্যানারি থেকে এ সিইটিপিতে বর্জ্য আনতে যে পাইপ লাইন স্থাপন করা দরকার তাও এখনো বসানো হয়নি। গ্যাসের জন্য পাইপ লাইন বসানোসহ বাকি আছে বিদ্যুত সংযোগের কাজও।
সিইটিপির চারটি মডিউলের মধ্যে যে দুটির নির্মাণ কাজে বেশি অগ্রগতি হয়েছে সেই দুটিরই এ অবস্থা।
প্রকল্প পরিচালক আবদুল কাইয়ুমের দাবি অনুসারে এ দুটি মডিউলের মূল কাজ শেষ হয়েছে— বাকি মাত্র ১৫ শতাংশ কাজ।
অথচ ২০১৩ সালের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শেষ করার কথা ছিল।
অভিযোগ আছে, বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি।
বিশেষ করে সিইটিপির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি সংক্রান্ত জটিলতা এর নির্মাণকাজ বেশ পিছিয়ে দিয়েছে। তবে এসব জটিলতা এখন আর নেই বলে দাবি করছেন প্রকল্প পরিচালক।
সিইটিপির বাকি মডিউল দুটির কাজ কবে শেষ হবে তা নিয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।
তবে, প্রথম দুটির পরীক্ষামুলক বর্জ্যশোধন সফল হলে বাকি দুটিও দ্রুততম সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।