১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলন করেন ছাত্র-জনতা। ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে চিরস্মরনীয় হয়ে আছেন সালাম, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকেই। ঢাকার এ আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে নড়াইলেও শুরু হয় ভাষা আন্দোলন।
সেদিন ছাত্ররা আন্দোলনে যোগ দেয়ার জন্য ছাত্রীদের আহ্বান জানালে নড়াইলে মাত্র ৩ জন নারী যোগ দেন মিছিলে। তারা হচ্ছেন: সুফিয়া খাতুন, রিজিয়া খাতুন ও রুবি।
তাদেরই একজন রিজিয়া খাতুন। ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য স্থানীয়ভাবে নানা স্বীকৃতি মিললেও এখনো সরকারিভাবে তাদের স্বীকৃতি দেয়া হয়নি।
সেদিনই আন্দোলনে যোগ দেয়া ছাত্র-জনতা শহরের তৎকালীন কালিদাস ট্যাংকের পাশে ইট দিয়ে অস্থায়ীভাবে প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করেন। শহীদদের উদ্দেশ্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা।
আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করতে মহিষখোলায় তৎকালীন মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফসার উদ্দিন মোক্তারের বাড়িতে গোপন বৈঠক করতেন তারা। আন্দোলনে সংগঠিত করতেন ছাত্র-জনতাকে। আজও সেদিনের স্মৃতি হাতরে ফেরেন ভাষা সৈনিক রিজিয়া খাতুন।
এই রিজিয়া খাতুনকেই সরকারিভাবে ভাষা সৈনিক রূপে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান তার পরিবার ও স্থানীয়দের।