বরিশালের ভাষা সংগ্রামী নিখিল সেন। একজন সমাজ সচেতন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। ৮৫ বছর বয়সে স্মৃতি হাতড়ে আজো বলতে পারেন ভাষা আন্দোলনের উত্তাল সময়ের কথা।
১৯৫২ সালে ঢাকায় গুলি বর্ষণের পরের দিন বরিশালে এ খবর পৌঁছলে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে সেখানকার পরিস্থিতি-সেদিনে কথায় উঠে আসে এক অতীত দিনের মহাসংগ্রামের ইতিহাস।
১৯৪৮ সালেই বরিশালে ভাষা আন্দোলনের ঢেউ এসে পৌঁছে। সমাজ সচেতনতার কারণে তৎকালীন সময়ে কমিউনিস্ট পার্টি সদস্যরা অত্যন্ত গোপনে ছড়িয়ে দেন আন্দোলনের উত্তাপ। পাড়ায় মহল্লায় প্রচার করতে থাকেন মায়ের ভাষার দাবির কথা।
বরিশালে ঐতিহ্যবাহী অশ্বিনী কুমার হলের সামনে ইট কাপড় দিয়ে নির্মাণ করে দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম শহীদ মিনার। পরের দিন গায়েবানা জানাজায় অংশ নেয় হাজার হাজার মানুষ। সেদিনে কমিউনিস্ট পার্টির নিষ্ঠাবান সদস্য হিসেবে নিখিল সেন মানুষের কাছে পৌঁছে দেন প্রতিবাদের ভাষা।
মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সেদিনের অগ্নিগর্ভ সময়ের কথা তুলে ধরেন তিনি।
সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার হোক এমনটাই প্রত্যাশা এ ভাষাসংগ্রামীর।