বুড়িগঙ্গা থেকে বংশী নদীর পাড় স্থানান্তরিত করা হচ্ছে চামড়া শিল্প।
স্থানীয়দের আশংকা, বংশীর পরিণতিও বুড়িগঙ্গার মতো হবে না তো! নদীর সঙ্গে সামগ্রিক পরিবেশ যাতে দুষিত না হয় সে জন্যই নির্মাণ করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধানাগার-সিইটিপি।
এটি ঠিকভাবে কাজ করলে নদী দুষণের কোনো ঝুঁকি থাকবে না বলে জানান চামড়া শিল্প নগরীর প্রকল্প পরিচালক আবদুল কাইয়ুম।
তবে সিইটিপির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না করতে পারলে—স্থানীয়দের আশংকা বুড়িগঙ্গার মতো বংশীর হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
ট্যানারির ছেড়ে দেয়া বিষাক্ত রাসায়নিক এবং বিভিন্ন বর্জে ঐতিহাসিক বুড়িগঙ্গা হারিয়েছে তার গৌরব-ঐতিহ্য। নদীর জীব বৈচিত্র ধংস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্যানারির বর্জ্যে প্রবল দুষণের শিকার আশপাশের এলাকাও।
সেই ট্যানারি এখন হাজারীবাগ বুড়িগঙ্গার পাড় থেকে যাচ্ছে হেমায়েতপুর বংশী নদীর পাড়ে। ট্যানারি থেকে ছেড়ে দেয়া বর্জ্যের শেষ আশ্রয় হবে এই নদীই। এতেই বুড়িগঙ্গার করুণ পরিণতি আতংকিত করছে বংশী পাড়ের মানুষদেরও।
বংশী নদীর যাতে কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য বর্জ্য শোধানাগার নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক জানান, কোনো রাসায়নিক মিশ্রিত বিষাক্ত পানি, বা বর্জ্য বংশী নদীতে পড়বে না।
সিইটিপিতে শোধন করে নদীর মাছসহ অন্যান্য জীবের উপযোগী করেই পানি ছাড়া হবে বলে তিনি জানান।
তবে বর্জ্যশোধানাগার থাকা সত্ত্বেও কারখানার বিষাক্ত পানি বর্জ্য দিয়ে ওই বংশী নদীই দুষিত করার ক্ষতও এলাকাবাসীর কাজে বেশ তরতাজা।
এ অপচর্চা অপ্রত্যাশিত নয় বলে মনে করেন, চামড়া শিল্প নগড়ীর প্রকল্প পরিচালক। তবে এর জন্য সার্বক্ষণিক তদারকির তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
দেশের অর্থনীতির জন্য যেমন চামড়া শিল্প গুরত্বপূর্ণ, তেমনি অপরিহায় নির্মল পরিবেশও।