ধানমন্ডির আবাসিক চেহারা ফিরিয়ে আনতে সরকারকে প্রথমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কি ধরনের পদক্ষেপ নিবেন— একইসঙ্গে ঘোষিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের কাজটি দৃশ্যমান করার ওপরও জোর দেন নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব।
দেশটিভিকে দেয়া সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।
নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, সরকার এবারো ব্যর্থ হলে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার নামটি শুধু কাগজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।
এদিকে, আবাসিক এলাকা থেকে সব ধরণের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সরানোর যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন বাসিন্দারা। শিগগিরই এর বাস্তবায়ন দেখতে চান তারা।
এছাড়া রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণেও বেশির ভাগ সময় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এ এলাকায়।
১৯৫২ সালে পাঁচশ একর জমিতে শুধুমাত্র আবাসিক প্লট হিসেবে ১০৮৩টি প্লট নিয়ে যাত্রা শুরু করা ধানমন্ডি আবাসিক এলাকায় বর্তমানে ভবন রয়েছে এক হাজার ৫শ বিরানব্বইটি। যার মধ্যে আবাসিক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে মাত্র ৮২৩টি ভবন।
এলাকার কিছু কিছু বাসিন্দা বেশি মুনাফার লোভে নিজেদের আবাসিক ভবন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দিয়েছেন বা বিক্রি করেছেন। সব দেখে শুনেও উৎকোচ পেয়ে চোখ বন্ধ রেখেছেন রাজউক,সিটি করপোরেশন,তিতাস,ওয়াসা ও ডেসকো সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে বর্তমানে এ এলাকায় প্রায় দেড় হাজার বিভিন্ন রকমের দোকান, ২৭৩টি রেস্টুরেন্ট ও ছোটবড় খাবারের দোকান, ৯৯টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ১৩৩টি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস রয়েছে। সব মিলিয়ে এক ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকায় পরিণত হয়েছে আবাসিক এলাকা ধানমন্ডি।