মোট দেশজ উৎপাদন জিডিপির প্রবৃদ্ধির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে সামাজিক সুরক্ষা খাতে এবার বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। বাড়ানো হচ্ছে উপহারভোগীর সংখ্যাও।
অর্থমন্ত্রণালয় সূত্র মতে, এবারের বাজেটে উপকারভোগীর সংখ্যা গড়ে ১০% বাড়িয়ে ৫০ লাখে উন্নিত করার পরিকল্পনা করছে সরকার। সামাজিক কর্মসূচির আওতায় সব ধরণের ভাতাও বাড়তে পারে ২৫% থেকে ৩০%। অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণায় এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা থাকবে।
দেশের একেবারে হতদরিদ্র মানুষ। যাদের নেই কোনো স্থায়ী বাসস্থান কিংম্বা পেশা। তাদের জন্য আছে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি-কাবিখা, টেস্ট রিলিফসহ প্রায় ১৫০টি কর্মসূচি।
বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্দ্বীসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে সরকার এ সুবিধা দিয়ে থাকে। চলতি অর্থবছরে যার জন্য সরকারের বরাদ্দ ছিল ১৬ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাচ্ছে ৪২ লাখ মানুষ। এবারের বাজেটে এ কর্মসূচির আওতায় যুক্ত হচ্ছে আরও প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ।
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বাড়ানো হচ্ছে বিভিন্ন ভাতাভোগীর সংখ্যাও। এর মধ্যে মাতৃত্বকালীন ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৬৪ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ, বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৩০ লাখ থেকে ৩১ লাখ ৫০০, বিধবাভাতা ১১ লাখ ১৩ হাজার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ১১ লাখ, প্রতিবন্ধীর সংখ্যা ৬ লাখ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৭ লাখ এবং চা শ্রমিক উপকারভোগীর সংখ্যা ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার জন করা হতে পারে।
জিডিপির প্রবৃদ্ধির সুবিধা সবার কাছে পৌছে দিতে, সরকার এ খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।
এর পাশাপাশি বাড়ছে ভাতার পরিমাণও। বয়স্ক ভাতার পরিমান ৪০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা, প্রতিবন্ধী ভাতা ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করা হতে পারে।
মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ৮ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকা করার নির্দেশনাও আসছে আগামী বাজেটে।