উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সরকার ‘শূণ্য সহনশীলতা’ নীতিতে অটল থাকলেও—তা বাস্তবায়নে আইন প্রয়োগ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতার ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলেন, ঘাটতি পূরণ ছাড়া নীতি কখনোই আলোর মুখ দেখবে না। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সংযোগ বাড়াতে হবে, বিশেষ করে আলোচনা অব্যাহত রাখা ও সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতা নিতে হবে। তবে মূল ভূমিকা নিতে হবে পরিবার ও সমাজকে। কেননা পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অভাব থেকেই সৃষ্টি হয় সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ।
তবে তাদের মতে, মূল ভূমিকার জায়গা হতে হবে পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন, যা না হলে বাকি সব চেষ্টাই ব্যর্থ হবে।
উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের ‘জিরো টলা রেন্স’ নীতির মধ্যেই দেশে এসবের ক্রমশ বিস্তার ঘটছে। এসব দমনে সরকারও বেশ তৎপর তবে গুলশানে জঙ্গি হামলার পর সরকারের অবস্থান আরো অনেক বেশি কঠোর।
এরইমধ্যে নেয়া বেশকিছু পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং, মসজিদগুলোতে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদবিরোধী অভিন্ন খুতবা পাঠ, নিরাপত্তা চৌকি বৃদ্ধি, কূটনীতিকদের সঙ্গে আলোচনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসেম সম্মেলন যোগ দিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনাও করেছেন।
এর পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্ষমতা বাড়ানো ও যথাযথ আইন প্রয়োগের পরামর্শ তাদের।
আর বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতা নেওয়ার বিকল্প নেই বলেও মত তাদের।