বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নেয়ার ক্ষেত্রে সৌদি সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় জনশক্তি রপ্তানি সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। বিদেশে কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকা কর্মীদের জন্যও সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। এর নেপথ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফলপ্রসূ সৌদি সফর জোরালো ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
এখন জনশক্তি পাঠানো নিয়ে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা যেন শুরু না হয়, দক্ষ কর্মীরা যাতে সহজে যেতে পারেন সে বিষয়ে সরকারের যথাযথ নজরদারি প্রয়োজন, এমন অভিমত তাদের।
দীর্ঘ সাত বছর পর বুধবার বাংলাদেশ থেকে সব ধরণের কর্মী নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা
প্রত্যাহার করে সৌদি আরবের শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রাণলয়। এমন খবরে স্বস্তি ফিরে এসেছে বাংলাদেশের শ্রম রপ্তানি বাজারে।
দেশের জনশক্তি রপ্তানির এ বিশাল বাজার থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে জোরালো ভূমিকা রাখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফলপ্রসূ সৌদি আরব সফর। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান জনশক্তি রপ্তানি সংশিষ্টরা। এখন অল্প টাকায় দক্ষ কর্মীরা যাতে সৌদি যেতে পারেন, রিক্রুটিং এজিন্সিগুলোকে সেটাই বিবেচনায় রাখার তাগিদ দিলেন বায়রার সাবেক সভাপতি।
সৌদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির বাজারে গতি ফিরবে বলে মনে করছেন তারা। শ্রমিকরা যাতে মধ্যস্থাকারী বা দালালদের খপ্পরে পড়ে আর প্রতারণার শিকার না হন, সেজন্য কঠোর নজরদারির আহবান জানিয়েছেন অভিবাসী শ্রমিক অধিকার রক্ষায় নিয়োজিতরা।
এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যথাযথ তদারকির মাধ্যমে সৌদি আরবে দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে তারা সচেষ্ট থাকবেন।