নিন্দা- উদ্বেগ আর দ্বিপক্ষীয় সমাধান-চেষ্টায় সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বিশ্ব শক্তিগুলোকে কাজে লাগানোর তাগিদ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
এক্ষেত্রে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ওআইসি কিংবা আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় প্রস্তাব রাখার পরামর্শ তাদের।
একই সঙ্গে দেশের ভেতর স্বার্থান্বেষী কোনো মহল যাতে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করতে না পারে সেদিকেও সরকারের নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেন তারা।
দীর্ঘদিন ধরেই রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের মাথাব্যথার কারণ। সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান ও সহিংসতা থেকে বাঁচতে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে এই সমস্যা আরো প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ১০ দিনেই লক্ষাধিক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। এই চাপ সামলাতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে ঢাকা। এই তৎপরতা আরো জোরালো করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রয়োজনে জাতিসংঘ পরিষদের আসন্ন সাধারণ সভায় এ বিষয়ে প্রস্তাব তোলারও তাগিদ দেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক আমেনা মহসিন।
নির্বাচন সামনে থাকায় এ ইস্যুটি যেন রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত না হতে পারে সরকারকে সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে বলে তিনি মনে করেন।
সেইসঙ্গে, মাদক পাচার আর জঙ্গি তৎপরতার কাজে কেউ যেন রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করতে না পারে সেদিকেও কঠোর নজরদারির পরামর্শ দেন তিনি।
সঙ্কট সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এই উদ্যোগে প্রতিবেশি দেশগুলোকেও সম্পৃক্ত করার তাগিদ দেন আরেক বিশেষজ্ঞ। এরপরও মিয়ানমার নিজের অবস্থান না বদলালে, বিকল্প পথ খোঁজার পরামর্শ তার।