রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া প্রস্তাব তার শক্তিশালী নেতৃত্বের আরেকবার প্রমাণিত হয়েছে।
এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে এরমধ্য দিয়েই মিয়ানমার এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
তবে এ বিষয়ে মিয়ানমার যে আলোচনার প্রস্তাব বাংলাদেশকে দিয়েছে তা আন্তর্জাতিক মাধ্যম ব্যবহার করে এগিয়ে নেয়া উচিৎ বলে পরামর্শও ।
পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রাখা এবং নিবন্ধন সমাপ্ত করার কথা বলেও তিনি।
দেশ টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
গত ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেয়া ভাষণে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনতিবিলম্বে এবং চিরতরে মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধ করা, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া সকল রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার পাশাপাশি তাদের জন্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বলয় তৈরিসহ পাঁচ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।
অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেনের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এ প্রস্তাব রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ যেমন বেরিয়ে আসবে তেমনি তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বেও বহির্বিশ্বে আরেকবার প্রমাণিত হয়েছে।
তবে মিয়ানমার যে আলোচনার প্রস্তাব বাংলাদেশকে দিয়েছে তা আন্তর্জাতিক মাধ্যম ব্যবহার করে এগিয়ে নেয়া উচিৎ বলে মনে করেন আরেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক এম শাহেদুজ্জামান।
চীন কিংবা ভারত বাংলাদেশের সমর্থন না দিলেও বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে এ ইস্যুতে নিজের ইতিবাচক অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, এ সমস্যা সমাধানে এশিয়া ও প্যাসেফিক অঞ্চলের যে সেনাদের জোট- প্যামসের সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে।