সিএনজিচালিত অটোরিকশার মেয়াদ আবারো বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। এরই মধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বুয়েট'র মতামত চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।
তবে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মেয়াদ না বাড়িয়ে নতুন গাড়ি কেনার পক্ষে মত দিয়েছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ সারোয়ার জাহান।
তার মতে, বিশৃঙ্খলা যুক্ত সিএনজি সেক্টরে নৈরাজ্য আরো বাড়বে মানুষ প্রাইভেট কারে ঝুঁকবে বাড়বে যানজট।
এদিকে তিন দফা মেয়াদ বাড়ানোর পর আবার মেয়াদ বাড়াতে তৎপর সিএনজি অটোরিকসার মালিকরা।
সরকারি হিসাবে রাজধানীতে বসবাসকারি প্রায় দেড় কোটি মানুষের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে ২৩ শতাংশের। বাকি ৭৭ শতাংশ রাজধানীবাসীকে যাতায়াতের জন্য নির্ভর করতে হয় বাস কিংবা ছোট যানবাহনের ওপর। এই বৃহত্তর অংশের যাতায়াতের কথা আর পরিবেশ দূষণের হাত থেকে নগর বাঁচাতে ২০০২ সালে ১৩ হাজার অটোরিকসার অনুমোদন দেয় সরকার। কিন্তু সেসব সিএনজিচালিত অটোরিসা এখন সাধারণ মানুষের কাছে সোনার হরিণ।
গত ১৫ বছরে অটোরিকশাগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়া, ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে আগুন লেগে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে অহরহ।
আগামী ডিসেম্বরে এসব গাড়ির মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় শেষ হচ্ছে। আর মালিকরাও বেশি মুনাফার আশায় ভাঙাচোরা গাড়িতে ইঞ্জিন বসিয়ে মেয়াদ বাড়ানোর পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
এদিকে, অটোরিকশাগুলোর মেয়াদ বাড়ানো ঠিক হবে কিনা তা জানতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মতামত চেয়ে চিঠি দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা এমন ছোট যানবাহনের প্রয়োজনিয়তা তুলে ধরে পরিবহন বিশেষজ্ঞ সারোয়ার জাহান বলেছেন, এসব ভাঙাচোরা গাড়ির মেয়াদ বাড়ালে দুর্ঘটনা বাড়বে।
আগামী ডিসেম্বরেই শেষ হচ্ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মেয়াদ। ফলে ১ জানুয়ারি থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৩ হাজার পুরনো অটোরিকশা আর চলতে পারবে না।