আইনের ফাঁকফোকর গলে দেশ থেকে অর্থ পাচার হচ্ছে বিদেশে। বিদেশে বৈধভাবে বিনিয়োগের সুযোগ উন্মক্ত করে দিলে অর্থপাচার কমবে বলেও মনে করেন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেজ ফোরাম অব বাংলাদেশের সভাপতি হাফিজুর রহমান খান।
বিদেশ থেকে ঋণ নেয়ার সুযোগের অপব্যবহার করেও অর্থপাচার করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, যার প্রতিফল দেখা যাচ্ছে পানামা ও প্যারাডাইস পেপার্সের মত দলিলে।
কাজেই অর্থপাচার বন্ধে, আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আর বিদেশে বৈধভাবে বিনিয়োগের সুযোগ উন্মক্ত করে দিলে অর্থপাচার কমবে বলেও মনে করছেন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেজ ফোরাম অব বাংলাদেশের সভাপতি হাফিজুর রহমান খান।
আন্ডার বা ওভার ইনভয়েসিং, কোম্পানির অফশোর শাখা খুলে অর্থ স্থানান্তর এবং বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে তা ফেরত দেয়ার নাম করে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হচ্ছে।
বিভিন্ন হিসেবে দেখা গেছে, ২০১৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যেই গেছে সাড়ে ৬ হাজার কোটি ডলারের বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে যে অর্থপাচারের প্রবণতা আরো বেড়েছে তার প্রমাণ পাওয়া যায় পানামা এবং প্যারাডাইস পেপার্সে বাংলাদেশিদের নামের তালিকা দেখে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্থপাচার প্রতিরোধে দেশের আইনে বড় রকমের দুর্বলতা আছে এবং দুর্বলতা আছে পলিসিতেও।
বাংলাদেশিদের বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ এখনো উন্মুক্ত করে দেয়া হয়নি। তাই বলে, তাদের বিদেশে বিনিয়োগ থেমে নেই।
হাফিজুর রহমান খান মনে করেন, এটি উন্মুক্ত করে দিলে অর্থপাচারের প্রবণতা কমবে— পাশাপাশি বৈধ পথে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহও বাড়বে।
সার্বিকভাবে অর্থপাচার প্রতিরোধে সরকারের আইন ও নীতি সংস্কারের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।