পুলিশি হেফাজতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনায় টানা ১১ রাত ধরে বিক্ষোভে উত্তাল রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিভিন্ন শহরে কারফিউ ভেঙে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন প্রতিবাদকারীরা। বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কোথায় কোথায় মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।
এছাড়া ওয়াশিংটন ডিসিসহ সারা দেশে পুলিশ, ন্যাশনাল গার্ড ও ফেডারেল ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। শুরুর দিকে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সহিংসতা হলেও এখন তা কমে এসেছে।
রাজধানীর ওয়াশিংটন থেকে শুরু করে নিউইয়র্কসহ বড় বড় শহরে বিক্ষোভ হয়েছে। ম্যানহাটনে কারফিউ ভেঙে শান্ত বিক্ষোভ হয়েছে। তবে এখান থেকে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অপরদিকে করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক ও সেবিকারাও প্রতিবাদে যোগ দিয়েছেন।
নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের বিলেভু হাসপাতালের সামনে মাস্ক, হাসপাতালের পোশাক ও অন্যান্য সুরক্ষা পোশাক পরে একশর বেশি ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিক্ষোভে অংশ নিতে দেখা গেছে।
তাদের হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল- ‘স্বাস্থ্য সেবা সবার জন্যই’, ‘বর্ণবাদ আমার রোগীকে মেরে ফেলছে’ প্রভৃতি স্লোগান।
বিক্ষোভে সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন সাবেক চার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, জিমি কার্টার, বিল ক্লিনটন ও জর্জ ডব্লিউ বুশসহ বিশ্বের বড় বড় নেতারা।
এরমধ্যে শুক্রবার কানাডায় বর্ণবাদবিরোধী র্যালিতে অংশ নিয়ে পুলিশের নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। র্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি তিনবার হাঁটু গেড়ে বসে পরেন।