মেডিকেলের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বা ফল বাতিল করে আবার পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনটি খারিজ করেছে হাইকোর্ট।
সোমবার সকালে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জে এন দেব চৌধুরীর অবকাশকালীন বেঞ্চ আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছে।
রিট আবেদনকারী আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ আদালতে শুনানি করেন আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।
জিনাত হক বলেন, ভর্তি পরীক্ষার ফল যাকে প্রকাশ না করা হয় রুলে সে বিষয়েও নির্দেশনা চাওয়া হয়— আদালত রিটটি খারিজ করে দেয়ায় মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুতে আইনগত কোনো বাধা থাকল না।
গতকাল-রোববার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী। আবেদনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পরিচালকসহ ১১ জনকে বিবাদী করা হয়।
গত শুক্রবার সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হয়, যাতে অংশ নেন ৮৩ হাজার শিক্ষার্থী। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে ফল ঘোষণা করেছে, তাতে ভর্তির যোগ্য শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে ৪৮ হাজার ৪৪৮ জন।
এ পরীক্ষার ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসে’ জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পর পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে শনিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা। আজও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ভর্তিচ্ছুরা।