নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাশেম ফুড এন্ড বেভারেজ কোম্পানী (সেজান জুস) কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জেলা প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিল করেছে। প্রতিবেদনে কারখানার মালিকের অনিয়মসহ সরকারি সংস্থার গাফিলতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনে ২০টি সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে আটটার দিতে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ওই কারখানার পরিবেশ অধিদপ্তরের সদন ছিলো না, বিল্ডিং কোর্ড ছিলো না, ফায়ার সার্ভিসের এনওসি পাওয়া যায়নি। সেই সাথে ফায়ার সেফটি ছিলো না- এসব বিষয়সহ আরও কয়েকটি বিষয়ে কারখানার মালিকের অনিয়ম পাওয়া গেছে তদন্তে।
জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট যদি ঠিকঠাকভাবে মনিটরিং করতো, তাহলে সেখানে শিশু শ্রম থাকতো না, বিল্ডিং কোর্ডের অসঙ্গতি থাকতো না, ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা পর্যাপ্ত থাকতো। তাদের মনিটরিংয়ের কমতি আছে।
তিনি আরও জানান, তাদের সুপারিশে শিশু শ্রম বন্ধ করা, নিহতদের শ্রম আইন অনুসারে ২ লাখ টাকা এবং যারা আহত হয়েছে তাদের আড়াই লাখ টাকা করে মালিক পক্ষ থেকে প্রদান, বিল্ডিং কোড মানা, অগ্নি নিবার্পন যন্ত্র আরও বেশি রাখা এবং প্রশিক্ষিত অগ্নিনিবার্পন দল কারখানায় রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই রূপগঞ্জের হাসেম ফুডস কারখানায় আগুনে পুড়ে ৫২ জনের মৃত্যু হয়।